‘ওসমান হাদিদের চির উন্নত শিরই নতুন বাংলাদেশের শক্তি’ | Osman hadi | হাদি
মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষ'তিগ্র'স্ত লাইফ সাপোর্টে হাদি | Shorif Osman Hadi | Ab News
The name of the controversial leader Samantha is not in the NCP candidate list | Ab News
মামলা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ | Jacqueline Fernandez
মাত্র ১৫ মিনিটের চার্জে ১৫০ কিলোমিটার চলবে টাটার নতুন গাড়ি | Ab News
স্বামীকে বাঁচাতে কোটিপতি বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে যু'দ্ধে তরুণী
ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ২৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার কিছু পরে রাজধানীর ফার্মগেটে স্টার হোটেলের সামনে গুলির ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় আজিজুল হক মোসাব্বিরকে উদ্ধার করে নিকটস্থ বিআরবি হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার পেটে তিন রাউন্ড গুলি লেগেছিল। এ ঘটনায় সুফিয়ান বেপারি (মাসুদ) নামে আরেকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সুফিয়ান বেপারি (মাসুদ) কারওয়ান বাজার ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনিও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা। ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগ এডিসি ফজলুল করিম গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আজিজুল হক মোসাব্বির ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের এডিসি ফজলুল করিম বলেন, স্টার কাবাবের পাশের ওই গলিতে দুজনকে গুলি করা হয়েছে। এদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের বিআরবি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায়, রাত আনুমানিক ৮টা ১০ মিনিটে তেজগাঁও থানাধীন পশ্চিম তেজতুরী বাজার এলাকায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে আজিজুল হক মোসাব্বিরকে গুলি করে। প্রাথমিকভাবে তাকে উদ্ধার করে বিআরবি হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর সেখানে তার দলীয় নেতাকর্মীদের অবস্থান করতে দেখা গেছে। গুলিবিদ্ধ নেতার ভর্তির ঘটনায় বিআরবি হাসপাতালের সামনে বিএনপির নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে রাস্তা সম্পূর্ণ ব্লক হয়ে গেছে। ৫০-৬০জন নেতাকর্মী তাদের দাবি দাওয়া নিয়ে সোনারগাঁও ক্রসিং এর ইনকামিং এ অবস্থান নিয়েছে। সোনারগাঁও ক্রসিং এর ইনকামিং বন্ধ আছে। তেজগাঁও থানা ২৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মজিদ মিলন যুগান্তরকে বলেন, বিকেল থেকেই আমি মুছাব্বির ভাইয়ের সঙ্গে ছিলাম। বিকেল আনুমানিক চারটার দিকে আমরা একসঙ্গে কাওরান বাজারের ১ নম্বর ডিআইপি মার্কেটে যাই। এরপর কাজীপাড়ায় এসে মুছাব্বির ভাই মাগরিবের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিল উপলক্ষে তিনি স্টার হোটেলে তাঁর গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর এবং ঢাকার নেতাকর্মীদের নিয়ে হোটেলের দোতলায় একটি সভা শুরু করেন। সভা শেষ করে রাত আনুমানিক আটটার দিকে মুছাব্বির ভাই নিচে নামেন। তখন স্টার হোটেলের সামনে আমি, সুফিয়ান বেপারী, মাসুদ ও নুর আলম মিলন ভাই একসঙ্গে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এ সময় মুছাব্বির ভাইয়ের পরিচিত এক বিএনপি নেতা সামনে এলে তাকে এগিয়ে দেওয়ার জন্য আমি ও আরেকজন রাস্তার অপর পাশে ওয়াসা ভবনের তলায় যাই। ওই সময় মুছাব্বির ভাই ও মাসুদ স্টার হোটেল থেকে তাঁর বাসার উদ্দেশ্যে আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে কাজীপাড়ার দিকে যাচ্ছিলেন। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ মাসুদ আমাকে ফোন করে জানায় যে, তাদের দুজনকে গুলি করা হয়েছে এবং দ্রুত সাহায্য করতে বলে। সঙ্গে সঙ্গে আমি ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি মুছাব্বির ভাই একটি ভ্যানের ওপর পড়ে আছেন এবং মাসুদ আরেকটি ভ্যানের ওপর পড়ে আছেন। দুজনেরই পেটে গুলি লেগেছিল। মুছাব্বির ভাইয়ের শরীর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তখন আমি তাঁর পেটে চাপ দিয়ে ওই ভ্যানেই করে দ্রুত মুছাব্বিরকে বিআরবি হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচির মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছিলেন এক নারী। এক তরুণীর লাঠি দিয়ে মধ্যবয়সী ওই নারীকে পেটানোর ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। মারধরের শিকার ওই নারীকে আজ শুক্রবার গত বছরের জুলাই আন্দোলনের সময়ের একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। ধানমন্ডি থানা–পুলিশ আজ বিকেলে সালমা ইসলাম নামের এই নারীকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে। চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট পার্থ ভদ্র তাঁর জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সালমা ইসলামের আইনজীবী আবুল হোসেন পাটওয়ারী প্রথম আলোকে বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন তাঁর মক্কেলকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন। অপর দিকে তাঁরা জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আইনজীবীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৪২ বছর বয়সী সালমা ইসলাম আজিমপুরে বসবাস করেন। তিনি একজন গৃহিণী। গতকাল ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে হামলার শিকার হন তিনি। সালমা ইসলামকে কীভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘গতকাল জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ার পর ওনাকে মারধর করা হয়। সেখান থেকে কয়েকজন তাঁকে আমাদের হাতে সোপর্দ করে।’ সালমা ইসলামকে গত বছরের ১৯ জুলাই সরকারবিরোধী আন্দোলন চলার মধ্যে ধানমন্ডিতে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় করা মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ। গতকাল ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের সামনে ওই নারীকে পেটানোর ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া গত বছরের ১ ডিসেম্বর হওয়া ওই মামলার ঘটনা সম্পর্কে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে দেওয়া আবেদনে বলেছেন, এ মামলার বাদী ইউরোপিয়ান ইউনির্ভাসিটির বিবিএ তৃতীয় বর্ষের একজন ছাত্র। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে দেশব্যাপী ছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলা অবস্থায় শুরু থেকে বাদী আন্দোলনে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। ১৯ জুলাই রাত আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে বাদী ও আরও অনেকে ধানমন্ডির স্টার কাবাবের সামনে মিছিল করছিলেন। এ সময় কতিপয় আসামিদের নির্দেশে অন্য আসামিরা আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ–সহযোগী ও ১৪–দলীয় জোটের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র, কাটা রাইফেল, পিস্তল, দেশি রামদা, চাপাতি, চায়নিজ কুড়াল, রড ও বাঁশের লাঠি নিয়ে সুসজ্জিত হয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে নিরীহ ছাত্রছাত্রীদের তাঁদের ন্যায্য দাবি থেকে উৎখাত করার লক্ষ্যে অনবরত গুলিবর্ষণ করতে থাকে। একটি গুলি বাদীর পিঠে লেগে পেট দিয়ে বেরিয়ে যায়। এরপর বিভিন্ন হাসপাতালে তিনি চিকিৎসা নেন। মামলা করার সময় আসামির তালিকায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। এ মামলা হওয়ার পর এর তদন্তভার গ্রহণ করেন উল্লেখ করে সালমা ইসলামকে নিয়ে আদালতে দেওয়া আবেদনে এসআই আনোয়ার লিখেছেন, ‘অত্র মামলাটির তদন্তকালে তদন্তে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণে অত্র মামলার ঘটনার সহিত উপরিউক্ত গ্রেপ্তারকৃত আসামি জড়িত মর্মে তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়।’ তদন্ত কর্মকর্তার এ বক্তব্যের বিরোধিতা করেছেন সালমা ইসলামের আইনজীবী আবুল হোসেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘উনি (সালমা ইসলাম) আবেগের বশে গতকাল দুপুরে ধানমন্ডি ৩২ এলাকায় “জয় বাংলা” স্লোগান দেন। সেখানে ওনার ওপর মব সৃষ্টি করে মারধর করা হয়। ভুক্তভোগী হওয়ার পরও ওনাকে আজ আদালতে আনা হয়েছে। জুলাইয়ের হত্যাচেষ্টা মামলা দেওয়া হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ অন্যায় হয়েছে। যে অপরাধ উনি করেননি, সে মামলায় ওনাকে আসামি করা হয়েছে। আমরা ন্যায়বিচার চাই।’ সালমা ইসলামকে কেন এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো, সে প্রশ্নের জবাবে তদন্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন স্যারদের নির্দেশে ওনাকে এ মামলায় গ্রেপ্তর দেখানো হয়েছে। এ মামলায় ওনার সম্পৃক্ততার ব্যাপারে কয়েকজন সাক্ষ্য দিয়েছে। তাদের সাক্ষ্যের আলোকেই গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।’ যাঁরা সালমা ইসলামকে আপনার হাতে তুলে দিয়েছেন, তাঁরা সাক্ষ্য দিয়েছেন কি না, সে প্রশ্নের জবাবে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ‘তাঁরা ছাড়াও অন্য সাক্ষীরা বলেছেন।’
গেল কয়েক বছরে শাকিব খান যেন ভিন্ন রূপে আছেন। নিজেকে অনেকটাই বদলেছেন এবং বিভিন্ন ধরনের সিনেমায় নিজেকে প্রমাণও করছেন। তার নতুন লুক, গেটআপ এবং উপস্থাপনায় তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এক বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি। বর্তমানে শাকিব তার আসন্ন সিনেমা ‘সোলজার’ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। খবর পাওয়া গেছে যে, শাকিব খান তার পরবর্তী সিনেমায় পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমিরকে তার বিপরীতে তুলে ধরবেন। এই তথ্য নিজেই নিশ্চিত করেছেন শাকিব। সম্প্রতি কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফসান দ্য ছোট ভাইয়ের একটি ভিডিওতে শাকিব বলেন, ‘তোমার অনেকগুলো ভ্লগ দেখলাম, আমার ভবিষ্যৎ হিরোইনের সঙ্গে, হানিয়ার সঙ্গে।’ এরপরে এক প্রশ্নের উত্তরে শাকিব জানান, ‘একটি সিনেমার জন্য তার সঙ্গে কথা চলছে।’
পূর্বনির্ধারিত নির্বাচনি গণসংযোগে গিয়ে গুলিবিদ্ধ স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। সেখানে তার অস্ত্রোপচার চলছে। তরুণ এই রাজনীতিক ও অ্যাক্টিভিস্টের সুস্থতা কামনায় দোয়া করছে দেশবাসী। সেই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি বলেন, তরুণ রাজনীতিক ও অ্যাক্টিভিস্ট শরীফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত। আল্লাহ তাকে সুস্থভাবে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিন। অন্তর্বর্তী সরকারের সদ্য সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, হাদি ভাই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বেঁচে থাকুন, আমাদের মাঝে ফিরে আসুন- এই দোয়া করুন সবাই। সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। জাতীয় নির্বাচনের তফশিলের পরপরই এরকম ঘটনা অশনিসংকেত। দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়িতদের গ্রেফতার করুন। হাদির সঙ্গে নিজের স্মৃতিচারণ করে অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ডা. আসিফ সৈকত বলেছেন, তার সঙ্গে অনেক কথা হয়েছে ইনবক্সে, মেসেঞ্জারে। ছোটো একটা ইস্যুতে ব্লক করলো আমাকে, পরে আবার ব্লক তুলে আরেক ছোটোভাইকে দিয়ে বলালো- ‘আসিফ ভাই , হাদি ভাই বলছেন, ওনাকে ভুল না বুঝতে, দোয়া করতে।’ আমি কিছুই বললাম না। অভিমানটুকু জিইয়ে রাখলাম। বড়ভাইগিরি ফলালাম। মনটা খুব খারাপ লাগতেছে , নিজেকে অপরাধী লাগতেছে। সেরে উঠ ভাই আমার, আমার জীবনে যদি একটা ভালো কাজও করি- সেটার উছিলায় আল্লাহ তোকে সুস্থ করে দিন। বড়ভাইকে মাফ করে দিস হাদি। আল্লাহ তোর বাচ্চাটার জন্য হলেও তোকে ফিরিয়ে দিন। ইমরুল হাসান লিখেছেন, জুলাইয়ের পরে যেই ২-৪টা জায়গা তৈরি হইছে, তার একটা হইতেছে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার, যেই ২-৪টা ভয়েস তৈরি হইছে, তার একজন হইতেছেন ওসমান হাদি! হাদিরে গুলি করা মানে হইতেছে জুলাইয়ের বুকে গুলি চালানো! প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন বলেন, হাদিকে আল্লাহ সুস্থতা দান করুন। হাদির এমন পরিস্থিতি দেখাটা আমাদের জন্য খুবই কষ্টের। তরুণ আলেম ও অ্যাক্টিভিস্ট মনযূরুল হক বলেন, একটা লোক দিনের পর দিন হুমকি পেয়েছে, প্রকাশ্যে একাধিকবার সে-কথা সে বলেছেও, তার জন্য সরকার কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই নাই। এই দায় সরকার এড়াবে কী করে? জুলাইয়ের সন্তানদের মূল্য সরকারের কাছে কী, শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকার যন্ত্র মাত্র? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সমাজসেবা সম্পাদক যুবাইর বিন নেছারী (এ বি জুবায়ের) বলেন, আমার ভাই ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়েছে। ঢামেকের ইমার্জেন্সিতে ভর্তি এখন। খাস করে দোয়া চাই সবার। হাদির সুস্থতা কামনা করে এনসিপি নেতা সারজিস পোস্ট করেছেন। তিনি লিখেন, ‘হে আল্লাহ, আমাদের ন্যায় ও ইনসাফের পথের সহযোদ্ধা ওসমান হাদি ভাইকে হেফাজত করুন।’ সিনিয়র সাংবাদিক হাসান আদিল সিদ্দিকী বলেছেন, হাদি, আমার ভাই, আমাদের ভাই।তার কিছু হলে তোমাদের রক্ষা নাই।জুলাইয়ে পর যখন সবাই যে যার হিস্যা বুঝে নিয়েছেন তখন হাদি ভাই বেছে নিয়েছিলেন সবচেয়ে সংগ্রামের পথ। নিজেকে নিয়োজিত করলেন জাতি গঠনের কাজে। তিনি রঠা সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে পোস্টারবয় হয়ে উঠেছিলেন। আমরা তাকে ইসলামি জাগরণের অগ্রসৈনিক মেনে নিয়েছিলাম। তাকেই আজ স্তব্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। অর্থাৎ ৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশে ইসলামের হয়ে কথা বলাটা এখনো নিরাপদ নয়। গুলি, খুন, অব্যাহত অপপ্রচারের মাধ্যমে এই দেশে ইসলামের জাগরণ ঠেকানো যাবে না। এদিকে হাদিকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এনসিপি নেতা ও জুলাইযোদ্ধা হাসনাত আবদুল্লাহ।তিনি দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। নুর মোহাম্মদ লিখেছেন, ‘হে কাবার মালিক হে আসমান–জমিনের মালিক হে জীবন দানকারী ও জীবন গ্রহণকারী তোমার অসীম কুদরতি শক্তির বরকতে আমার ভাই ওসমান হাদিকে পূর্ণ সুস্থতা দান করো। ওয়ালিদ হোসাইন সবুজ লিখেছেন, গুলির আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত হয় যে জীবন; সে জীবন জনতার, সে জীবনই জয় করে ভূবন। হাদি আপনি পারবেন, আপনাকে পারতেই হবে। মো. আব্দুল্লাহ লিখেছেন, যারা মরার জন্য জন্ম নেয় তারা মৃত্যুকে ভয় করে না। তফশিল ঘোষণার একদিনের মধ্যে জুলাইয়ের অন্যতম নায়ক ওসমান হাদি আক্রান্ত হলেন! আমরা দোয়া করছি- আল্লাহ হাদি ভাইকে সুস্থতা এবং নিরাপত্তার চাদরে আবৃত করে রাখুন। রাষ্ট্রকে যারা অকার্যকর করতে চাচ্ছে, তাদের লাগাম টেনে ধরার সময় এখনই। মুসতাকিন মিয়া বলেন, সত্য ও ন্যায়ের পথে অকুতোভয় সৈনিক আমাদের প্রিয় হাদি ভাই। আল্লাহ তাকে সকল ষড়যন্ত্র থেকে হেফাজত করুন।
‘মিস ইউনিভার্স’-এর ৭৪তম আসর। এবারের আসরে ১২১টি দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে সগৌরবে প্রতিনিধিত্ব করছে বাংলাদেশের তানজিয়া জামান মিথিলা। থাইল্যান্ডে শুরু হওয়া এ আসরে ইতোমধ্যে ভোটের তালিকায় ২য় অবস্থানে উঠে এসেছেন মিথিলা। আগামী ২১ নভেম্বর থাইল্যান্ডের কেন্দ্রীয় শহর পাক ক্রেটে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘মিস ইউনিভার্স’-এর ৭৪তম আসরের জমকালো গ্র্যান্ড ফিনালে। গত সেপ্টেম্বরে ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৫’-এর মুকুট জেতার পর দেশের পতাকা হাতে গত অক্টোবরের শেষ দিকে তিনি থাইল্যান্ডে মূল মঞ্চে উড়ে গিয়েছেন। তবে মূল প্রতিযোগিতায় নামার আগে পুরোনো একটি ভিডিও নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফের বিতর্কের মুখে পড়লেন এই মডেল। পুরোনো সেই বিতর্কিত ‘ওয়াশরুম ভিডিও’ প্রসঙ্গে সম্প্রতি লাইভে এসে মুখ খুলেছেন মিথিলা। নেটিজেনদের ক্রমাগত নেতিবাচক প্রচারণায় তিনি রীতিমতো বিব্রত। লাইভে মিথিলা প্রথমে স্বীকার করেন যে ঘটনাটি বহু বছর আগেরপ্রায় সাত থেকে আট বছর পুরোনো। তিনি দাবি করেন, যখন ঘটনাটি ঘটেছিল, তখন তারা সবাই ছোট ছিলেন এবং এটি একটি ‘প্র্যাঙ্ক’ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। বিতর্কিত ভিডিওটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের প্রথমে যেটা বলতে চাই, যখন ঘটনাটি ঘটেছিল, তখন আমরা ছোট ছিলাম। ওই ঘটনাটা যখন ভাইরাল হয়, একদল মানুষ বলে, আমি সেক্সুয়ালি তাকে হ্যারাস করেছি। তার আগে বলি, যে মানুষটা ওয়াশরুমে ছিল, সে কিন্তু আমাদের বন্ধু ছিল। আমরা জিনিসটাকে প্র্যাঙ্কের মতো করে দেখিয়েছিলাম।’ তিনি বলেন, ‘আমি শুধু ওখানে ছিলাম, ওখানে আপনারা আমাকে দোষ দিতে পারেন না। আপনারা যেহেতু জিনিসটাকে এত বড় করেছেন। ফেসবুকে অনেকবার বলেছি, আমাকে দয়া করে ক্ষমা করে দিয়েন। আমি ছোট ছিলাম বুঝিনি, বোকার মতো কাজটা করেছি।’ নেটিজেনদের তিনি বলেন, ‘আপনারা ৭/৮ বছরের পুরোনো ভিডিওতে আমাকে নিয়ে নেগেটিভ পাবলিসিটি করছেন। আমাকে নেগেটিভ পাবলিসিটি করলে (প্রতিযোগিতায়) জিততে পারবো না, আমাকে জেতাবে না এরা।’